Wednesday, December 29, 2010

পাখির চোখে দুনিয়া দেখা

জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে সে এক অভিনব দৃশ্য। রাস্তায় সারি সারি ছবি সাজানো। বিশাল বিশাল প্লাস্টিক বোর্ডের ওপর সাঁটানো হয়েছে ছবিগুলো। তারপর কাঠের চৌকো ফ্রেমের ওপর দাঁড় করিয়ে সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে প্রদর্শনী। আর কী মজার কাণ্ড, পথ চলতে চলতে সবাই একবার থমকে যাচ্ছে এ অভিনব প্রদর্শনী দেখতে। বাদামওয়ালা, রিকশাওয়ালা কিংবা ঘুরে ঘুরে মুড়ির মোয়া বেচা মানুষটাও একবার এসে দেখে যাচ্ছে কিসের প্রদর্শনী আর কী বিষয়-আশয়। বিষয়টা হলো দুনিয়ার হালহকিকত। তবে সেটা ঠিক পৃথিবীর মাটিতে দাঁড়িয়ে দেখা নয়। বরং আকাশের কাছাকাছি থেকে চোখ মেলে দেখা নিচের দুনিয়াটা কেমন। আলোকচিত্রের ভাষায় যাকে বলে ‘বার্ডস আই ভিউ’, সেটা হলো পাখির মতো ওপর থেকে নিচের দৃশ্য দেখা। ইয়ান আর্থাস বার্ট্রান্ড দুনিয়া ঘুরে ঘুরে সে রকমই কিছু দৃশ্য তুলে এনেছেন তাঁর ক্যামেরা দিয়ে।

নকশিকাথার গল্প

বিশাল জমিনজুড়ে শুধু নকশার কারসাজি। হাতি, ঘোড়া কত কী! মনে হয়, কাঁথা তো নয়, যেন কোনো শিল্পীর ক্যানভাস। হাতের সামান্য স্পর্শে, সুঁই-সুতোর একেকটা ফোঁড়ে এত সুন্দর নকশা হয়, না দেখলে বিশ্বাস হবে না কারও। তাই গুলশান এভিনিউর রাস্তা দিয়ে হাঁটতে গিয়ে প্রায়ই থমকে দাঁড়াতে হয় পথচারীদের। একপাক দেখে নিতে হয় নকশিকাঁথার অপূর্ব সুন্দর শৈলী।
আজাদ মসজিদের সামনে আর আশপাশের রাস্তার দুই পাশে লম্বা দড়িতে টাঙানো আছে সারি সারি নকশিকাঁথা। হেঁটে যাওয়া পথচারীরা তাই হঠাৎ দাঁড়িয়ে যান নকশিকাঁথা দেখতে। কেউ কেউ দরদামও করেন। দামে বনলে একটা কাঁথা নিয়ে চলে যান বাসার জন্য।

বছর শেষের রাতে

গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারে ৩১ ডিসেম্বর। ঘড়ির কাঁটা রাত ১২টা ছুঁই ছুঁই। জমে উঠেছে আলোর রোশনাই। আঁতশবজির ফোয়ারা পাখা মেলবে শূন্যে। শেষ মুহূর্তের ক্ষণগণনা শুরু হয়েছে নিউইয়র্ক, প্যারিস, লন্ডন, সিডনিসহ বিশ্বের বড় শহরগুলোতে। পুরোনো বছরকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে বিশ্বজুড়েই পালিত হয় ‘থার্টি ফার্স্ট নাইট’। সারা বিশ্বের নগরবাসী মেতে ওঠে আমোদে। নিজ দেশের সংস্কৃতি অনুযায়ী চলে উদযাপন। নানা মুনির নানা মতের মধ্যে ঢাকাবাসী কি আদৌ পারছে থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন করতে?

প্রযুক্তি সংবাদ

  1. ৫ জানুয়ারি থেকে ঢাকায় শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী ল্যাপটপ মেলা। মেকার কমিউনিকেশনের আয়োজনে এবার ‘কিউবি ল্যাপটপ মেলা’ শীর্ষক এ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে ঢাকার শেরাটন হোটেলে।
    বছরের শুরুতে এ মেলায় থাকছে নতুন সব ল্যাপটপ কম্পিউটারের প্রদর্শনী। এতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নতুন মডেলের ল্যাপটপ বাজারে উন্মোচিত করবে। পাশাপাশি বিশেষ মূল্যে পাওয়া যাবে নোটবুক এবং নেটবুক। মেলায় দেশের প্রচলিত প্রায় সব ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন আয়োজকেরা।মেলার মিডিয়া সমন্বয়ক আল আমিন দেওয়ান জানান, আগের চেয়ে বড় পরিসরে এবারের মেলায় ১৮টি প্যাভেলিয়ন এবং ২১টি স্টলে ল্যাপটপ প্রদর্শিত হবে। মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত চলবে। মেলার পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রয়েছে আসুস, গেটওয়ে, এইচপি, স্যামসাং এবং তোশিবা।
  2. বেসিসের সফটএক্সপো ২০১১ মেলা উপলক্ষে প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে আবেদনপত্র জমাদানের সময় ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। ডট নেট, পিএইচপি, জাভা ও সি++ প্রোগ্রামিং ধারায় পেশাদার ও শিক্ষার্থী দুটি গ্রুপে অংশ নেওয়া যাবে। দুই গ্রুপে আটটি দলকে পুরস্কৃত করা হবে। বিস্তারিত জানার ওয়েবসাইট www.softexpo.com.bd।

তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রের নারীদের নতুন সংগঠন

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সংশ্লিষ্ট নারীদের সংগঠিত করে পেশাগত উন্নয়ন ও নেটওয়ার্কিংয়ের সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করেছে নতুন ফোরাম। গতকাল বুধবার রাজধানীতে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ ওমেন ইন আইটি (বিডব্লিউআইটি) নামের এ ফোরামের যাত্রা শুরু হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি দোহাটেক নিউ মিডিয়ার চেয়ারম্যান লুনা শামসুদ্দোহা, সহসভাপতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান সুরাইয়া পারভীন, মাইক্রোসফটের সাউথ ইস্ট এশিয়ার বিজনেস ডেভেলপমেন্ট পরিচালক সোনিয়া বাশার কবির, আপলোড ইউরসেলফ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী ফারহানা এ রহমানসহ সংগঠনের নেতারা।

কমলালেবু খাচ্ছে হাতি!

বন্য প্রাণী হাতি গাছপালা ও লতাগুল্ম খেয়ে বেঁচে থাকে—এটাই এতদিন সবার জানা ছিল। কিন্তু ভুটানের বন্য হাতিরা সম্প্রতি কমলা খাওয়া শুরু করেছে। এ ধরনের ঘটনা এটাই প্রথম। এতে দেশটির কমলালেবুর চাষিরা চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন বন্য প্রাণী ও উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তারাও।
ভুটানের প্রধান ইংরেজি দৈনিক কুয়েনসেল জানিয়েছে, দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কমলালেবুর বাগানগুলোতে হাতির পালের আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। হাতির দল বাগানে ঢুকে কমলালেবু খেয়েছে। নষ্ট করে ফেলেছে বিপুল পরিমাণ ফল।
গ্রামবাসী বলেন, হাতির গোগ্রাসে কমলালেবু খাওয়া দেখে তাঁরা চমকে গেছেন, শঙ্কিতও হয়ে পড়েছেন। এমনটি এর আগে কখনো ঘটেনি। তাঁরা বলেন, হাতির দল এভাবে কমলালেবু খেলে বাগান সাবাড় হয়ে যাবে। তাঁদের ব্যবসাও লাটে উঠে যাবে।

বাড়ী কিনবেন যুক্ত্ররাস্ট্রে?কমে যাচ্ছে বাড়ীর দাম

যুক্তরাষ্ট্রের আবাসনশিল্প খাতে ব্যাপক মন্দা চলছে। গত এক মাসে দেশটির প্রধান প্রধান নগরে বাড়ির দাম আরও কমেছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ধারণা, আগামী বছর বাড়ির দাম আরও কমে যাবে। নিলামে তোলা বাড়ির সংখ্যা বেড়ে যাওয়া ও গৃহঋণ নীতি কঠোর হওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
গত মঙ্গলবার এসঅ্যান্ডপি (স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড পুওরস) প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, ২০টি প্রধান নগরে বাড়ির বিক্রয়মূল্য গত এক মাসে ১ দশমিক ৩ শতাংশ কমে গেছে। সবচেয়ে বেশি দাম কমেছে আটলান্টা নগরে। ওয়াশিংটনে টানা পাঁচ মাস ধরে অব্যাহতভাবে বাড়ির দাম কমছে। ডালাস, পোর্টল্যান্ড, অরেগন ও ডেনভারেও বাড়ির দাম কমছে।

এবার আরব সাগরে ছিন্তাই হলো দেশে তৈরী জাহাজ

আরব সাগরে এবার বাংলাদেশের রপ্তানি করা একটি জাহাজ সোমালিয়ার জলদস্যুদের কবলে পড়েছে। জার্মানির পতাকাবাহী ‘এমভি ইএমএস রিভার’ নামের জাহাজটি গত ২৬ নভেম্বর বাংলাদেশ থেকে নিয়ে যায় আমদানিকারক গ্রোনা শিপিং কোম্পানি। ইএমএস রিভারসহ গত ২৪ দিনে আরব সাগরে ছয়টি জাহাজ সোমালিয়ার জলদস্যুদের কবলে পড়েছে। এর মধ্যে একটি জাহাজ বাংলাদেশি মালিকের এবং অন্যটিতে সরকারের ৪৪ কোটি টাকার সার ছিল।
আরব সাগরে প্রায়ই ছিনতাই-ডাকাতির ঘটনায় জাহাজের আন্তর্জাতিক এই রুটটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি ঝুঁকির মুখে পড়েছে নাবিকদের জীবন। আরব সাগরে ঘন ঘন ছিনতাইয়ের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বাংলাদেশ। কারণ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সামুদ্রিক যোগাযোগ এই রুটে হয়।

বাংলাদেশের কৃতিত্ত্ব তথা সোনার ছেলেদের জয়

বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. আনিসুর রহমানকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে চলছে তোলপাড়। বিশ্বের বিভিন্ন এয়ারপোর্টসহ নিরাপত্তা এলাকাগুলোতে যখন দেহ তল্লাশি নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক তখন তিনি আবিষ্কার করেছেন একটি বিস্ময়কর প্রযুক্তি। এ প্রযুক্তির মাধ্যমে যে কোনো মানুষের শরীরে বিস্ফোরকের কোনো উপাদান থাকলে তা এমনিতেই ধরা পড়বে।
যন্ত্রটির নাম স্পেকট্রোমিটার। এর আরো অনেক প্রয়োগ আছে। এরমধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে এটি একটি সফল যন্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। পেনসেলভেনিয়ার হেরিসবার্গের বাসিন্দা ড. আনিসুর রহমান বলেন, বেশি বা খুবই অল্প বিস্ফোরক হলেও স্পেকট্রোমিটারের চোখ এড়ানো সম্ভব হবে না। এটা নিয়ে এখনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। এ মেশিনে যেন কোনো ভুল সিগন্যাল এবং সন্ত্রাসীরা সিগন্যালকে লুকাতে না পারে সেজন্য বিশেষ ধরনের প্রযুক্তিগত কৌশল ব্যবহার করা হয়েছে।